ফুলবাড়িয়ায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর উপর ধর্ষণের মিথ্যা মামলার অভিযোগ

ফুলবাড়িয়ায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর উপর ধর্ষণের মিথ্যা মামলার অভিযোগ

ফুলবাড়িয়ায় (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ

ফুলবাড়ীয়া নবম শ্রেণির স্কুল পড়–য়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা মামলার অভিযোগ উঠায় এলাকায় ক্ষোভ ও হত্যাশা বিরাজ করছে।

জানাযায়, উপজেলার বাক্তা ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর মাজনতলী গ্রামের তারা মিয়ার নাবালক পুত্র মোঃ হানিফ। সে পলাশীহাটা স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান শাখার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ফাতেমা আক্তারের পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন জমি সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় মা মোছাঃ ছালমা আক্তার বাদী হয়ে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ফুলবাড়ীয়া থানা পুলিশ গত (২৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার নিজবাড়ী হতে হানিফকে গ্রেফতার করে। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সং-০৩) এর ৯(এ) ৩১৩ পেনাল কোড রুজু করেন।

এলাকাবাসী ও বিবাদীর পরিবারের লোকজন জানান, ফাতেমা আক্তার একজন প্রতারক মহিলা। প্রায় তিন বৎসর আগে স্বামীকে তালাক দেয়। এলাকাবাসী উৎশৃঙ্খল নারী হিসেবে তাকে চিনে। সে এবং তার পরিবার টাকার লোভে নাবালক ছেলের জীবন ধ্বংস করার জন্য মিথ্যা মামলা করেছে।

ফাতেমার দাদী সমলা খাতুন (৭০) বলেন, দুই বছর আগে জামাই ছাইড়া আইসা পড়ছে। এখন বড় বোন জামাইয়ের সাথে চলাফেরা করে। প্রায়ই সময়ই রাতে বাড়ী ফিরে। আমার বংশের ইজ্জত সম্মান শেষ করে দিছে। মেয়ের প্রতিবেশি চাচাতো জয়নাল আবেদীন বলেন, আমি এক বছর আগে বিবাহের সমন্ধে আলাপ করে ছিলাম উত্তরে বলে দুলাভাইয়ের মত ছেলে লাগব।

চাচী আম্বিয়া খাতুন (৪০) জানান, নাবালক হানিফার উপর মিথ্যা মামলা করছে ফাতেমা। ছালমা আক্তারের পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জমির বিরোধ চলছে। স্বামীকে তালাক দেয়ার পর বেপর্দায় চলাফেরা করে। জেঠি জয়তন নেছা (৬০) বলেন, দুলাভাই এলাকাবাসী ও পরিবারের কাউকে না জানিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ফাতেমার অবৈধ গর্ভপাত ঘটায়।

জাকারিয়া হোসেন (৩০) বলেন, ফাতেমার বিরুদ্ধে একাধিকবার গ্রাম্য শালিস-দরবার করেছি। আমার আত্মীয়কে এই মেয়ে বিয়ে করেছে। মেয়েটার স্বভাব চরিত্র ভাল ছিল না। ইউ,পি, সদস্য সুরুজ বাঙ্গালী বলেন, ছেলেকে ফাসানোর জন্যই মেয়ে মামলা করেছে। পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি মেয়ের স্বভাব চরিত্র ভাল না।

এ ব্যাপারে ইউ,পি, চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ফজলুল হক মাখন বলেন, মেয়ে ও ছেলের বাবার সাথে জমি সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধ ছিল। নাবালক ছেলেকে ফাঁসানোর জন্য মেয়ের বাবা-মা মিথ্যা ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।

 

এ ব্যাপারে ফুলবাড়ীয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা এ.এইচ.এম. মোকতাদেরুল হাসান বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্তধীন রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.