কলারোয়াতে ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা।

কলারোয়াতে ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা।

রাজু রায়হান, স্টাফ রিপোর্টার:

সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলাতে প্রায় সকল ইউনিয়নের কৃষকরাই স্বপ্ন দেখছে ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলনের ।

আমাদের দেশের চাষী জমির প্রায় ৮০% শতাংশ জমিতেই ধান চাষ করেছে এদেশের কৃষকরা। এবার বোরো ধান চাষ করে কৃষকরা বাম্পার ফলনের আশা করছে, ধান গাছের নমুনা থেকে ধারনা করা যায় যে সোনালী ফসলে ভরে উঠবে কৃষকের ঘোলা।কৃষকের স্বপ্নের ফসল হল বোরো ধান। যার ওপরের নির্ভর করে কৃষকের সমগ্র বছরের খাদ্য।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানতে পারি যে,
এবার উপজেলার সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো আবাদ হয়েছে।

আক্তারুল ইসলাম জানান, এবার অন্য বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি ফলন আশা করা হচ্ছে, বিগত বছর গুলোতে যেমন ব্যাপকহারে বিভিন্ন রোগ বালাই আক্রমণ করে ছিল এবার তার চেয়ে অনেকাংশে কম, যাতে করে বেশি ফলনের আশা করা যায় এবং অন্য বছরের তুলনায় এবার সেচ পদ্বতি সহজিকরণ হয়েছে। আগে যেখানে সেলু মেশিন দিয়ে সেচ দেওয়া হতো বর্তমানে বিদ্যুৎ লাইনের মাধ্যমে ওয়াটার পাম্প দিয়ে সেচ দেওয়া হচ্ছে। এখন আগের তুলনায় টাকা,সময় ও পরিশ্রাম একদমই কম লাগছে।

কৃষি মাঠ পরির্দশন করে জানা যায় অন্য অন্য বছরে চেয়ে এবার ধান গাছের গ্রােত অনেকাংশে ভালো যে সকল বালাই আক্রমণ করে থাকে তার প্রভাব অন্য বছরের তুলনায় অনেকটাই কম যার ফলে কীটনাশক প্রয়োগের মাত্রাও অনেকাংশে কম বলে জানা যায়। তাই ধান গাছের হাওয়ায় দোল দেখে নেচে উঠে হাসছে কৃষকের মনও।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলার সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো আবাদ হয়েছে।তিনি জানান,আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে তাহলে লক্ষ্য মাত্রা ৭৫ হাজর মেট্রিকটন উৎপাদনে ছাড়িয়ে যাবে। করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ঝুকি নিয়ে তিনিসহ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে নিবিড় ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কৃষি অফিসার আরো জানান, বড়ো ধরনের দুর্যোগ না হলে আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই ধান কাটার কাজ শেষ হবে এবং উপজেলায় কিছু কিছু জায়গায় ইরি-বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। ফলনও আশানুরূপ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.